তরুণ সমাজের জন্য হস্তমৈথুন একটি বড় সমস্যা । বর্তমানে ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় এবং অশ্লীল কনটেন্টের আধিক্যের কারণে এটি আরও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। যা যুব সমাজকে ধ্বংস করছে । এটি একটি নেশার মত । যে একবার এর প্রতি আসক্ত হয়ে যায়, সে সহজে এই অভ্যাস ছাড়তে পারে না । তবে এর ক্ষতি গুলো জানলে হয়তো ছেড়ে দেয়া কিছুটা সহজ হবে । হস্তমৈথুনের ক্ষতি গুলো লিখে শেষ করা অনেক সময় সাপেক্ষ । তারপরও এর ক্ষতিকর দিক গুলো সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো
যৌন ক্ষতি
১. বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে কিছু করার সময় দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়, এর ফলে স্ত্রী তৃপ্তি পায় না ।
২. লিঙ্গ দুর্বল ও নরম হয়ে যায় । যার ফলে লিঙ্গ স্ত্রীর জননাঙ্গে প্রবেশ করতে অক্ষম হয় ।
৩.বীর্যে শুক্রাণু সংখ্যা কমে যায় ,যার ফলে পুরুষ বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি হতে পারে ।
৪. অতিরিক্ত মাত্রায় হস্তমৈথুন করলে কোন পুরুষ নপুংসক হয়ে যেতে পারে অর্থাৎ যৌন মিলনে অক্ষম হয়ে যেতে পারে ।
শারীরিক ক্ষতি
১. মাথা ঘোরা ,মাথা ব্যথা করা । কখনো কখনো মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে এবং চোখ বন্ধ হয়ে যায় আর মনে হয় দুনিয়াটা যেন ঘুরছে ।
২. শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে একটু কাজ করলেই ক্লান্তি ভাব আসে ।
৩. হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দেয় তাই আপনি যত ভালোই খান না কেন তা তেমন কোনো কাজে আসে না, দিনে দিনে ওজন কমে যায়।
৪.অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা হয় ,লিঙ্গ জ্বালাপোড়া করে ।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় তাই সহজেই যেকোনো রোগে আক্রান্ত হতে পারেন ।
৬.দৃষ্টিশক্তি কমে যায়।
মানসিক ক্ষতি
১.কোন কাজ করার প্রতি মানসিক স্পৃহা কমে যায় ।
২. বদমেজাজি স্বভাবের সৃষ্টি হয় অর্থাৎ একটু কিছুতেই অনেক বেশি রাগ হয়ে যায় ।
৩ . স্মরণ শক্তি কমে যায় ।
৪. পরিবার ও সমাজ থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখে ,তাই মানুষের সামনে যেতেও লজ্জা হয় ।
সুতরাং কেউ যদি এই নেশায় আসক্ত হয়ে থাকেন , তো দ্রুতই তাকে এই নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে । সুন্দর , সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন