রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

কিছু বদ অভ্যাস যা শরীরকে ধ্বংস করে দেয়


 আমাদের কিছু বদ অভ্যাস আমাদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর ।সেসব নিয়েই এখানে একটু আলোচনা করব 

১.অতিরিক্ত খাওয়া 

আমরা অনেকেই খেতে বসলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বেশি বেশি খেয়ে ফেলি ।যেটা করা উচিত নয় ।খাওয়ার উত্তম নিয়ম হল পেট কে তিন ভাগে করে একভাগ খাবার ,একভাগ পানি আর একভাগ খালি রাখা 

২.রাতে দেরি করে ঘুমানো

অনেকেই রাতে ঘুমাতে চায় না বা রাতে ঘুমাতে অনেক দেরি করে ফেলে এই অভ্যাস আমাদের দৈহিক ও মানসিক সমস্যার একটা বড় কারণ । গবেষণায় দেখা গেছে যারা রাতে ঘুমায় না নিয়মিতভাবেই রাতে ঘুমাতে দেরি করে তাদের মেজাজ খিটখিটে হয়। অনেকে ভাবে আমি রাতে না ঘুমালেও দিনে ঘুমিয়ে সেটা পূরণ করি কিন্তু এটা একটা ধারণা রাতের ঘুমের কোনো বিকল্প নেই 

৩.মাদকদ্রব্য সেবন

 এই অভ্যাসটা ছেলেদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায় একটি সিগারেট যে কি পরিমান ক্ষতিকর তা আমরা জানি বা গুগলের সার্চ করলেই বুঝতে পারব । মাদকদ্রব্য মানুষের যৌন ক্ষমতা   হ্রাস করে দেয় । মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের ঝুঁকি বেড়ে যায় । আর ফুসফুস বা শ্বাস যন্ত্রের যে ক্ষতি করে তা প্রায় সকলেরই জানা

 

৪.খাওয়ার পর পর পানি পান

এই অভ্যাস টা আমাদের প্রায় সকলেরই আছে । কিন্তু খাওয়ার পরপরই পানি পান করা উচিত নয় । একটি হজম প্রক্রিয়াকে  ব্যাহত  করে । বিশেষজ্ঞদের মতে আধাঘন্টা পর পানি পান করা প্রয়োজন । কিন্তু আপনি খুব বেশি পিপাসার্ত হলেই একটুখানি পান করতে 
 পারেন

৫.হস্তমৈথুন  

 এই একটি অভ্যাস আপনার সবকিছু ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট । এটা আপনাকে মানসিক এবং শারীরিক দুই ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে । পুরো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেবে । যৌন ক্ষমতা হ্রাস করে দেয় এর ফলে ভবিষ্যতে আপনার স্ত্রীকে যৌন তৃপ্তি  দিতে  পারবেন না । নপুংসক হওয়ার সম্ভাবনা আছে । মেয়েদের এই অভ্যাস থাকলে তারাও  বিভিন্ন সমস্যায় পড়বেন ।

এই অভ্যাস গুলো ত্যাগ করতে পারলে আমরা এমনিতেই অনেক রোগ থেকে বেঁচে থাকবে ।

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০

ঘুম নিয়ে কিছু কথা

 ঘুম মানুষের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।মানব দেহের ক্লান্তি দূর করার জন্য ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।ঘুম আমাদের ক্লান্তি দূর করে আবার নতুন করে কাজ করার স্পৃহা যোগায় ।তাই এই ঘুমের ক্ষেত্রেও আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন ।

১.রাতের বেলা তাড়াতাড়ি খেয়ে নিয়ে ১০টার আগেই ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে ।নিয়মিত ভাবে অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কেউ ভাবে আমি রাতে না ঘুমালেও দিনের ঘুম দিয়ে সেটা পূরণ করে নেই ।কিন্তু এটা একটা ভুল ধারণা। কারণ রাতের ঘুম আর দিনের ঘুম এক নয় । 

২.  রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে আবার সকালেও ওঠার অভ্যাস করতে হবে । সূর্যোদয়ের এক ঘণ্টা আগে  জেগে উঠুন । 

৩. ঘুমানোর সময় ডান কাত হয়ে  কেবলার দিকে মুখ করে ঘুমানোর চেষ্টা করুন । এটি সবচাইতে উত্তম পদ্ধতি । উপুড় হয়ে  কখনো ঘুমাবেন না ,এটা সবচাইতে খারাপ পদ্ধতি । 

৪. পুরোপুরি ভাবে অন্ধকার ঘরে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘরে কোন আলো বা আগুন জালানো থাকলে তা বন্ধ করুন।

৫. সূর্যোদয় , সূর্যাস্ত এবং সূর্য যখন ঠিক মাথার উপরে থাকে এই তিন সময়ে ঘুমাবেন না । 

৬. দুপুরের খাবারের পর হালকা একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন । এটি খুবই উপকারী।

খাওয়া-দাওয়ার নিয়ম জানুন

 জীবন বাঁচাতে গেলে খাদ্যের প্রয়োজন ।কিন্তু শুধু খেলেই হবে না । খাবার ব্যাপারে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে,এসব নিয়ম মেনে খেতে পারলে আমাদের উপকার হবে নয়ত অনিয়মের কারণে দেহে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে

১ . কতটুকু খাবেন

 ক্ষুদা লাগলে একবারে পেট ভরে খাবেন না। পেটকে তিন ভাগ করে এক ভাগ পানি, এক ভাগ খাবার এবং এক ভাগ খালি রাখুন । এটাই উত্তম পদ্ধতি । যদিও প্রথম প্রথম এটি করতে কষ্ট হতে পারে কিন্তু আস্তে আস্তে এই অভ্যাস তৈরি করতে হবে তাহলে আমরা এমনিতেই অনেক অসুখ বিসুখ থেকে বেঁচে যাব ।

২. সকালের খাবার

 সকাল আটটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে সকালের খাবার খেয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। আগে খেলে আরো ভালো ।সকালবেলায় বেশি পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার খেতে হবে।

৩.   দুপুরের খাবার

অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে দুপুরের খাবার খাওয়ার আদর্শ সময় হলো ১২:৪৫ । তাই আপনাকেও চেষ্টা করতে হবে যেন এই  সময় থেকে খুব বেশি দেরি না হয় ।

৪.   রাতের খাবার

রাতের খাবার ও যত দ্রুত সম্ভব খেয়ে ফেলতে হবে। সন্ধ্যা হবার পরই আপনি খেয়ে নিতে পারলে ভালো ।  রাতে হালকা খাবার খেতে হবে  ।ঘুমানোর অন্তত দুই তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নেয়া উচিত।

৫. খাওয়ার সাথে সাথে পানি পান নয়

খাবার খাওয়ার পরপরই পানি খাওয়া উচিত নয় ।আবার খাবার খাওয়ার ঠিক আগে আগেও পানি খাওয়া উচিত নয় । বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন যে খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করা ভালো ।কিন্তু আপনি যদি খুব বেশি  পিপাসার্ত হন তাহলে একটু পানি খেয়ে নিতে পারেন ।

৬.অত্যধিক গরম ও অত্যধিক ঠান্ডা খাবার কে না বলুন 

কেউ কেউ আছে যারা অধিক গরম খাবার খেতে পছন্দ করেন ,আবার অন্যদিকে অধিক ঠান্ডা খাবার যেমন আইসক্রিম, কোমল পানীয় বা সফট ড্রিংকস ,ফ্রিজের পানি ইত্যাদি খেতে পছন্দ করেন । এই দুটি অভ্যাসই ত্যাগ করতে হবে।

৭.আহারের পর পর গোসল নয় 

খাওয়া দাওয়ার পর সাথে সাথে গোসল করতে যাবেন না।কারণ এতে আপনার হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে ।



রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর উপায়

 মানুষের জীবনে ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।  বৈজ্ঞানিক দের মতে  একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের ৬-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন । প্রতিদিন রাতে তা...