রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর উপায়

 মানুষের জীবনে ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।  বৈজ্ঞানিক দের মতে  একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের ৬-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন ।

প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমালে  এবং সকালে  সূর্যোদয়ের আগে উঠলে,  মানুষ এমনিতেই  অনেক রোগ থেকে  মুক্তি পেয়ে যায় ।  কিন্তু রাতে সহজে ঘুম আসতে চায় না এই সমস্যা আমাদের জন্য এখন নতুন কিছু নয় । এই সমস্যাটা আমরা নিজেরাই কিছু কাজের মাধ্যমে সৃষ্টি করি  ।তাই কিছু নিয়ম মেনে চললে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব ।

১. সন্ধ্যার পর মোবাইল বা ল্যাপটপ বেশি ব্যবহার না করা

আমরা অনেকেই ঘুমানোর আগে  বা সন্ধ্যার পর বিছানায় শুয়েবসে মোবাইল বা ল্যাপটপ চালাতে পছন্দ করি ।কিন্তু মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো আমাদের দেহের মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণের বাধা দেয় । এই মেলাটোনিন হরমোন ঘুম আসতে সাহায্য করে  । তাই এই অভ্যাস বর্জন করুন ।

২. ধূমপান থেকে বিরত থাকুন 

সিগারেট যে দেহের জন্য ক্ষতিকর তা আমাদের সকলেরই জানা । সিগারেটের মধ্যে থাকা নিকোটিন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় ।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০

মোটা হওয়ার উপায়

 যাদের ওজন প্রয়োজনের তুলনায় কম তারা শারীরিক সমস্যার সাথে মানসিক সমস্যাতেও ভোগেন।যেমন নিজের ওজন কম থাকার কারণে নিজেকে আড়াল করে রাখতে চান ,সবার সামনে যেতে লজ্জা পান, একটু পরিশ্রম করলে হাপিয়ে যান ।  


অতিরিক্ত ওজন থাকলে সেটি কমানো অনেকটা সহজ, কিন্তু দেহের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকলে সেটি তত সহজে বৃদ্ধি করা যায় না।

অনেকের ভুল ধারণা আছে যে বেশি বেশি খেলেই ওজন বাড়বে ,আসলে তা নয় । আবার অনেকেই বেশী বেশী মিষ্টিজাতীয় খাবার খেয়ে ওজন বৃদ্ধি করতে চায় । কেউ কেউ আবার বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে ওজন বাড়াতে চান ।এসবের কোনোটাই সঠিক নয় । 


আবার শুধু ওজন বাড়লেই যে ভালো তা কিন্তু নয়।কারণ শরীরে ক্ষতিকর মেদ জমলেও ওজন বৃদ্ধি পায় ।আপনাকে চেষ্টা করতে হবে শরীরে পেশী গঠনের মাধ্যমে ওজন বাড়ানোর।


তাই আপনাকে সঠিকভাবে অগ্রসর হতে হবে ।এখানে কিছু বিজ্ঞানসম্মত উপায় তুলে ধরা হলো 

১.বিভিন্ন বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে

হস্তমৈথুনের মতো বাজে অভ্যাস থাকলে সবার আগে ত্যাগ করতে হবে । কারণ এই অভ্যাস থাকলে কোনো চেষ্টাই কাজে আসবে না । এছাড়াও ধূমপান করা,রাতে দেরি করে ঘুমানো, সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা ,রাত করে অতিরিক্ত খাওয়া ,সকালে অনেক সময় পর্যন্ত না খেয়ে থাকা, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া, ফাস্টফুড বেশি বেশি খাওয়া ।এসব অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । 

২.সঠিক সময়ে খাদ্য গ্রহণ

আপনাকে চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিন একই সময়ে খাদ্য গ্রহণ করার ।তাহলে দেহের বিভিন্ন কোষ গুলো আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে পারে।সকালের খাবার ৭ টা থেকে ৮ টার মধ্যে ,দুপুরের খাবার ১২টা থেকে ২টার মধ্যে এবং রাতের খাবার ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে ।এই সময়টা দিন ছোটো বা বড় হওয়ার উপর নির্ভর করবে ।আসল কথা তিন বেলায় খাবার গ্রহণে দেরি করে যাবে না ।

খাওয়ার পরপরই পানি পান করা যাবে না,২০ বা ৩০মিনিট অপেক্ষা করা ভালো ।অবশ্য খুব পিপাসা লাগলে একটু খেতে পারেন ।


৩.পুষ্টি গুন সম্পন্ন খাবার গ্রহণ

আপনাকে অবশ্যই প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে ।যেমন সকালে আপনি ছোলা, বাদাম বা কাঠবাদাম, খেজুর এসব খেতে পারেন ।ডিম খেলে পোজ অথবা সিদ্ধ করে খাবেন ।


সকালে বেশি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে ।যেমন ভাতের সাথে গরু বা খাসির মাংস, পরোটা, ঘি,মাখন ইত্যাদি ।দুপুরে ভাতের সাথে মাছ,ডাল ,শাক সবজি। আর রাতেও দুপুরের মতো খেতে পারেন ।তবে পরিমাণে কম খাবেন ।সকাল ও দুপুরের তুলনায় বেশি খাবেন না ।


৪.শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করতে হবে

শুধু খেলেই হবে না ।পরিশ্রম ও করতে হবে ।তাহলে খাবার থেকে সঞ্চিত শক্তি পেশিশক্তি হিসেবে জমা হবে। আর ভারী কোনো কাজ না থাকলে এর বিকল্প হিসেবে আপনি ব্যায়াম করতে পারেন।ব্যায়াম এর আগে বেশি কিছু খাবেন না আর ব্যায়াম করে খেতেও দেরি করবেন না।


৫.ওজন না বাড়ার কারণ চিহ্নিত করা

সবকিছু ঠিকঠাক রাখার পরেও যদি আপনার ওজন না বাড়ে তখন এর কারণ চিহ্নিত করতে হবে ।হতে পারে হজমের সমস্যা, কৃমি জাতীয় সমস্যা বা অন্য কোনো সমস্যা ।এজন্য আপনাকে পুষ্টিবিদের কাছে যেতে হবে।

হস্তমৈথুনের অপকারিতা

 তরুণ সমাজের জন্য হস্তমৈথুন একটি বড় সমস্যা । বর্তমানে ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় এবং অশ্লীল কনটেন্টের আধিক্যের কারণে এটি আরও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। যা যুব সমাজকে ধ্বংস করছে । এটি একটি নেশার মত । যে একবার এর প্রতি আসক্ত হয়ে যায়, সে সহজে এই অভ্যাস ছাড়তে পারে না । তবে এর ক্ষতি গুলো জানলে হয়তো ছেড়ে দেয়া কিছুটা সহজ হবে । হস্তমৈথুনের ক্ষতি গুলো লিখে শেষ করা অনেক সময় সাপেক্ষ । তারপরও এর ক্ষতিকর দিক গুলো সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো

যৌন ক্ষতি

১. বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে কিছু করার সময় দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়, এর ফলে স্ত্রী তৃপ্তি পায় না ।
২. লিঙ্গ দুর্বল ও নরম হয়ে যায় । যার ফলে লিঙ্গ স্ত্রীর জননাঙ্গে প্রবেশ করতে অক্ষম হয় ।
৩.বীর্যে শুক্রাণু সংখ্যা কমে যায় ,যার ফলে পুরুষ বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি হতে পারে ।
৪. অতিরিক্ত মাত্রায় হস্তমৈথুন করলে কোন পুরুষ নপুংসক হয়ে যেতে পারে অর্থাৎ যৌন মিলনে অক্ষম হয়ে যেতে পারে ।

শারীরিক ক্ষতি

১. মাথা ঘোরা ,মাথা ব্যথা করা । কখনো কখনো মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে এবং চোখ বন্ধ হয়ে যায় আর মনে হয় দুনিয়াটা যেন ঘুরছে ।
২. শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে একটু কাজ করলেই ক্লান্তি ভাব আসে ।
৩. হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দেয় তাই আপনি যত ভালোই খান না কেন তা তেমন কোনো কাজে আসে না, দিনে দিনে ওজন কমে যায়।
৪.অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা হয় ,লিঙ্গ জ্বালাপোড়া করে ।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় তাই সহজেই যেকোনো রোগে আক্রান্ত হতে পারেন ।
৬.দৃষ্টিশক্তি কমে যায়।

মানসিক ক্ষতি

১.কোন কাজ করার প্রতি মানসিক স্পৃহা কমে যায় ।
২. বদমেজাজি স্বভাবের সৃষ্টি হয় অর্থাৎ একটু কিছুতেই অনেক বেশি রাগ হয়ে যায় ।
৩ . স্মরণ শক্তি কমে যায় ।
৪. পরিবার ও সমাজ থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখে ,তাই মানুষের সামনে যেতেও লজ্জা হয় ।

সুতরাং কেউ যদি এই নেশায় আসক্ত হয়ে থাকেন , তো দ্রুতই তাকে এই নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে । সুন্দর , সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য ।

পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা

 পেয়ারা  দেশি এবং সহজলভ্য ফল হলেও এটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এবং আমাদের দেহের জন্য অনেক উপকারী।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ

পেয়ারা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল । এছাড়াও পেয়ারাতে রয়েছে ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ,লাইকোপেন । খনিজ উপাদান হিসেবে রয়েছে ক্যালসিয়াম ,পটাশিয়াম ,ফসফরাস ।

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

১. পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন সি বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে, দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

২. যদি আপনি নিয়মিত পেরারা খান তাহলে টাইপ-2 ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে । কারণ এর মধ্যে যে আঁশ রয়েছে তা দেহের চিনি শোষণ ক্ষমতা কমায় ।

৩. পেয়ারাতে বিদ্যমান ভিটামিন 'এ' রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে ।

৪.এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং লাইকোপেন বিভিন্ন ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়তে পারে । বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে 

৫. নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার ঝুঁকি কমে ।

৬. পেয়ারা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে । পেটের বিভিন্ন অসুখ যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য ,আমাশয় সহ বিভিন্ন রোগ সারাতে পারে ।

৭. রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ঠিক রাখে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে । তাই এই ফল হৃদ রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারি ।

তাই দেশীয় এই ফলটি নিয়মিত আপনার খাদ্য তালিকায় রাখুন এবং অন্যকেও উৎসাহিত করুন।


মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০

হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন ছাড়ার উপায়

 

হস্তমৈথুন এমন একটি বাজে অভ্যাস যা সবাই সহজে ত্যাগ করতে পারে না,এর ক্ষতিকর প্রভাব গুলো জানার পরেও ।কিন্তু যার এ অভ্যাস আছে তাকে এ থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে নিজের জীবনকে সুন্দর করার জন্য। কারণ হস্তমৈথুনের কারণে শারীরিক, মানসিক এবং যৌন সমস্যা দেখা দেয়  ।

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায়সমূহ :

১.একাকী থাকবেন না

এটি একটি প্রধান কারণ হস্তমৈথুনের । একা একা থাকলেই বাজে চিন্তা মাথায় আসতে পারে ।হস্তমৈথুনের চিন্তা আসলে ঘর থেকে বাইরে বের হবেন ।কাজে ব্যস্ত থাকুন । সবসময় নিজেকে ব্যাস্ত রাখতে চেষ্টা করুন যাতে এসব করার সময় না পান ।

২.অশ্লীলতা বর্জন করুন 

অশ্লীল ভিডিও বা এমন কিছু যা আপনার উত্তেজনা বৃদ্ধি করে এমন কিছু দেখা বন্ধ করুন । আপনার collection এ থাকা ভিডিও ডিলিট করুন ।মোবাইলে বা কম্পিউটারে পর্ন দেখা, চটি পড়া ,এডাল্ট পিকচার, এডাল্ট মুভি দেখা বন্ধ করতে হবে ।পিসি বা ফোনে porn blocker ব্যাবহার করুন ।

৩.হস্তমৈথুনের ক্ষতিগুলো বার বার পড়ুন

এর ক্ষতি জানা থাকলেও ,আপনি কিছু দিন     পর পর এসব পড়ুন।এটি আপনাকে হস্তমৈথুনে নিরুৎসাহিত করবে ।

৪.অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করুন

যারা আপনার সাথে যৌন বিষয় নিয়ে বেশি আলোচনা করে তাদের এড়িয়ে চলুন ।মনে রাখবেন "সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস ,অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ ।"

৫.বিভিন্ন কাজে নিজেকে ব্যাস্ত রাখুন

বাড়িতে বিভিন্ন কাজ করলে বাড়ির মানুষের যেমন উপকার হবে, তেমনি আপনারও অলস সময়গুলো কেটে যাবে ।কারণ যাদের কাজকর্ম একটু কম থাকে তারাই এসবের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।

৬.দিনের বেলা অন্ধকারে থাকবেন না

দিনের কোনো সময় একা অন্ধকার ঘরে থাকবেন না,তাহলে মাথায় বাজে চিন্তা আসতে পারে ।

সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০

ওজন বাড়ানোর সঠিক উপায়

যাদের ওজন প্রয়োজনের তুলনায় কম তারা শারীরিক সমস্যার সাথে মানসিক সমস্যাতেও ভোগেন।যেমন নিজের ওজন কম থাকার কারণে নিজেকে আড়াল করে রাখতে চান ,সবার সামনে যেতে লজ্জা পান, একটু পরিশ্রম করলে হাপিয়ে যান ।  

অতিরিক্ত ওজন থাকলে সেটি কমানো যতটা সহজ, তেমনি দেহের ওজন কম থাকলে সেটি তত সহজে বৃদ্ধি করা যায় না।অনেকের ভুল ধারণা আছে যে বেশি বেশি খেলেই ওজন বাড়বে ,আসলে তা নয় । আবার অনেকেই বেশী বেশী মিষ্টিজাতীয় খাবার খেয়ে ওজন বৃদ্ধি করতে  চায় । কেউ কেউ আবার বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে ওজন বাড়াতে চান ।এসবের কোনোটাই সঠিক নয় । 

আবার শুধু ওজন বাড়লেই যে ভালো তা কিন্তু নয়।কারণ শরীরে ক্ষতিকর মেদ জমলেও ওজন বৃদ্ধি পায় ।আপনাকে চেষ্টা করতে হবে শরীরে পেশী গঠনের মাধ্যমে ওজন বাড়ানোর।

তাই আপনাকে সঠিকভাবে অগ্রসর হতে হবে ।এখানে কিছু বিজ্ঞানসম্মত উপায় তুলে ধরা হলো 

১.বিভিন্ন বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে

হস্তমৈথুনের মতো বাজে অভ্যাস থাকলে সবার আগে ত্যাগ করতে হবে । কারণ এই অভ্যাস থাকলে কোনো চেষ্টাই কাজে আসবে না । এছাড়াও ধূমপান করা,রাতে দেরি করে ঘুমানো, সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা ,রাত করে অতিরিক্ত খাওয়া ,সকালে অনেক সময় পর্যন্ত না খেয়ে থাকা, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া, ফাস্টফুড বেশি বেশি খাওয়া ।এসব অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । 

২.সঠিক সময়ে খাদ্য গ্রহণ

আপনাকে চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিন একই সময়ে খাদ্য গ্রহণ করার ।তাহলে দেহের বিভিন্ন কোষ গুলো আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে পারে।সকালের খাবার ৭ টা থেকে ৮ টার মধ্যে ,দুপুরের খাবার ১২টা থেকে  ২টার মধ্যে এবং রাতের খাবার ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে ।এই সময়টা দিন ছোটো বা বড় হওয়ার উপর নির্ভর করবে ।আসল কথা তিন বেলায় খাবার গ্রহণে দেরি করে যাবে না ।

খাওয়ার পরপরই পানি পান করা যাবে না,২০ বা ৩০মিনিট অপেক্ষা করা ভালো ।অবশ্য খুব পিপাসা লাগলে একটু খেতে পারেন ।


৩.পুষ্টি গুন সম্পন্ন খাবার গ্রহণ

আপনাকে অবশ্যই প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে ।যেমন সকালে আপনি ছোলা, বাদাম বা কাঠবাদাম, খেজুর এসব খেতে পারেন ।ডিম খেলে পোজ অথবা সিদ্ধ করে খাবেন ।

সকালে বেশি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে ।যেমন ভাতের সাথে গরু বা খাসির মাংস, পরোটা, ঘি,মাখন ইত্যাদি ।দুপুরে  ভাতের  সাথে মাছ,ডাল ,শাক সবজি।  আর রাতেও দুপুরের মতো খেতে পারেন ।তবে পরিমাণে কম খাবেন ।সকাল ও দুপুরের তুলনায় বেশি খাবেন না ।

৪.শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করতে হবে

শুধু খেলেই হবে না ।পরিশ্রম ও করতে হবে ।তাহলে খাবার থেকে সঞ্চিত শক্তি পেশিশক্তি হিসেবে জমা হবে। আর ভারী কোনো কাজ না থাকলে এর বিকল্প হিসেবে আপনি ব্যায়াম করতে পারেন।ব্যায়াম এর আগে বেশি কিছু খাবেন না আর ব্যায়াম করে খেতেও দেরি করবেন না।

৫.ওজন না বাড়ার কারণ চিহ্নিত করা

সবকিছু ঠিকঠাক রাখার পরেও যদি আপনার ওজন না বাড়ে তখন এর কারণ চিহ্নিত করতে হবে ।হতে পারে হজমের সমস্যা, কৃমি জাতীয় সমস্যা বা অন্য কোনো সমস্যা ।এজন্য আপনাকে পুষ্টিবিদের কাছে যেতে হবে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

হস্তমৈথুন করলে কি কি ক্ষতি হয়

 আসলে হস্তমৈথুনের ফলে দেহের কি ক্ষতি হয় তা লিখে শেষ করা অনেক কষ্টকর ।এক কথায় লেখা যায় ''It's just finish you". এর কিছু ক্ষতিকর প্রভাব নীচে তুলে ধরা হলো 

যৌন ক্ষমতা হ্রাস

হস্তমৈথুনের বড় প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে আপনার যৌনক্ষমতায় ।নিয়মিত হস্তমৈথুনের ফলে আপনার বীর্য ধারণ ক্ষমতা অনেক কমে যাবে ।খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনার বীর্য বের হবে ।

লিঙ্গ দুর্বল বা নরম হয় 

অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কারণে আপনার লোহার মতো শক্ত লিঙ্গ একসময় তুলার মতো নরম হয়ে যাবে ,আপনি যৌন উত্তেজনা অনুভব করলেও লিঙ্গ সহজে শক্ত হবে না ।আর পর্যাপ্ত শক্তিশালী না হলে সহবাসের সময় তা আপনার স্ত্রীর যোনিতে প্রবেশ করবে না ।

স্ত্রী যৌনতৃপ্তি পাবে না

হস্তমৈথুনের ফলে আপনি দীর্ঘক্ষণ বীর্য ধরে রাখতে পারবেন না ।মিলনের সময় আপনার বীর্য বের হয়ে আপনি তৃপ্তি পেলেও আপনার স্ত্রী তৃপ্তি পাবে না ।এতে সংসারে বিভিন্ন টানাপোড়ন সৃষ্টি হতে পারে।

প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস

স্ত্রীর ডিম্বাণু ও পুরুষের শুক্রাণু মিলে নতুন জীবনের সঞ্চার হয় অর্থাৎ সন্তান জন্ম নেয় ।কিন্তু হস্তমৈথুনের ফলে এই শুক্রাণু দুর্বল হতে পারে যা প্রজনন ক্ষমতা হ্রাসের কারণ হতে পারে।

শরীর দুর্বল হয়ে যাবে

আপনি যত ভালোই খান না কেন, হস্তমৈথুনের বদ অভ্যাসের কারণে আপনার শরীরে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না ।আপনি দিন দিন শুকিয়ে যেতে পারেন এবং কোনো কাজের প্রতি  উদ্দীপনা হারাবেন ,অলস হয়ে পড়বেন ।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমার বড় একটি কারণ এই হস্তমৈথুন ।এ কারণে সহজেই কোনো রোগে আক্রান্ত হতে পারেন 

মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০

কোমল পানীয় খেয়ে নিজেই নিজের দেহের ক্ষতি করছেন

 হয়তো বাইরে অনেক রোদ কাজ করতে করতে ক্লান্ত অথবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার ছলে আপনি কোমল পানীয় খেয়ে ফেলছেন কিন্তু আপনি নিজেও বুঝতে পারছেন না যে আপনি আপনার দেহের কত ক্ষতি করে ফেলছেন আসুন জেনে নেই দেহের উপর কোমল পানীয়র কিছু ক্ষতিকারক প্রভাব

১. হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে কোমল পানীয়তেই বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান এবং এর প্রধান উপাদান হচ্ছে চিনি এবং স্যাকারিন । এসব পদার্থের উপস্থিতির কারণেই হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায় ।

২. প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস

কোমলপানীয় বা সফট ড্রিংকস গুলো সুস্থ করে তোলার জন্য মিষ্টিজাতীয় এক  ধরনের পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা মানুষের স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়  ।

৩. গর্ভ ধারণ ক্ষমতা হ্রাস 

এসব কোমল পানীয় ছেলেদের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি ভাবে মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর । মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভ ধারণ ক্ষমতা হ্রাস করে । আর অবশ্যই যারা গর্ভবতী অবস্থায় আছেন তারা কখনোই এসব সফট ড্রিংকস পান করবেন না । এতে আপনার আগত সন্তানের ক্ষতি হবে ।

সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০

রাতে ঘুম না হওয়ার কিছু কারণ

 প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমালে  এবং সকালে  সূর্যোদয়ের আগে উঠলে,  মানুষ এমনিতেই  অনেক রোগ থেকে  মুক্তি পেয়ে যায় ।  কিন্তু রাতে সহজে ঘুম আসতে চায় না এই সমস্যা আমাদের জন্য এখন নতুন কিছু নয় । এই সমস্যাটা আমরা নিজেরাই কিছু কাজের মাধ্যমে সৃষ্টি করি  । আসুন জেনে নেই এমন কিছু কারণ

১. ঘুমের আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার

আমরা অনেকেই ঘুমানোর আগে বিছানায় শুয়েই মোবাইল বা ল্যাপটপ চালাতে পছন্দ করি ।কিন্তু মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো আমাদের দেহের মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণের বাধা দেয় । যাহা আমাদের ঘুমাতে সাহায্য করে । তাই এই অভ্যাস ত্যাগ করুন

২. ধূমপান করা

সিগারেট যে দেহের জন্য ক্ষতিকর তা আমাদের সকলেরই জানা । সিগারেটের মধ্যে থাকা নিকোটিন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় ।

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

খেজুর খাওয়ার উপকারিতা


 খেজুর অনেক বেশি পুষ্টিগুণসম্পন্ন একটি ফল এর উপকারিতা ও অনেক বেশি

 কখন খাবেন

খেজুর যে কোন সময় খাওয়া যায় । তবে সকাল বেলা খেলে বেশি উপকার পাবেন ।

উপকারিতা

কর্মশক্তি বাড়ায় : খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক  চিনি আছে , যা খুব দ্রুতই দেহের কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে :  খেজুরে প্রচুর পরিমাণ প্রাকৃতিক আঁশ আছে । তাই রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে এটি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করবে।

যৌন শক্তি বৃদ্ধিকারক : খেজুর অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন একটি ফল । তাই এটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে

রক্তস্বল্পতায় উপকারী : খেজুরে প্রচুর পরিমাণ আয়রন ও মিনারেল থাকায় এটি রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে

 হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: খেজুর শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল(LDL) কমায় আর উপকারী কোলেস্টেরল(HDL) বৃদ্ধি করে , সাথে সাথে এর মধ্যে বিদ্যমান পটাশিয়াম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় । 

অতিরিক্ত ওজন হ্রাস : খেজুর মানুষের ক্ষুধার জ্বালা   কমিয়ে দেয়, এতে করে যাদের বারবার যাদের ক্ষুদা লাগে এবং খাবার অভ্যাস আছে তার পরিবর্তন করতে সাহায্য করে, তা অতিরিক্ত ওজন কমাতে কার্যকরী।

কিছু বদ অভ্যাস যা শরীরকে ধ্বংস করে দেয়


 আমাদের কিছু বদ অভ্যাস আমাদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর ।সেসব নিয়েই এখানে একটু আলোচনা করব 

১.অতিরিক্ত খাওয়া 

আমরা অনেকেই খেতে বসলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বেশি বেশি খেয়ে ফেলি ।যেটা করা উচিত নয় ।খাওয়ার উত্তম নিয়ম হল পেট কে তিন ভাগে করে একভাগ খাবার ,একভাগ পানি আর একভাগ খালি রাখা 

২.রাতে দেরি করে ঘুমানো

অনেকেই রাতে ঘুমাতে চায় না বা রাতে ঘুমাতে অনেক দেরি করে ফেলে এই অভ্যাস আমাদের দৈহিক ও মানসিক সমস্যার একটা বড় কারণ । গবেষণায় দেখা গেছে যারা রাতে ঘুমায় না নিয়মিতভাবেই রাতে ঘুমাতে দেরি করে তাদের মেজাজ খিটখিটে হয়। অনেকে ভাবে আমি রাতে না ঘুমালেও দিনে ঘুমিয়ে সেটা পূরণ করি কিন্তু এটা একটা ধারণা রাতের ঘুমের কোনো বিকল্প নেই 

৩.মাদকদ্রব্য সেবন

 এই অভ্যাসটা ছেলেদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায় একটি সিগারেট যে কি পরিমান ক্ষতিকর তা আমরা জানি বা গুগলের সার্চ করলেই বুঝতে পারব । মাদকদ্রব্য মানুষের যৌন ক্ষমতা   হ্রাস করে দেয় । মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের ঝুঁকি বেড়ে যায় । আর ফুসফুস বা শ্বাস যন্ত্রের যে ক্ষতি করে তা প্রায় সকলেরই জানা

 

৪.খাওয়ার পর পর পানি পান

এই অভ্যাস টা আমাদের প্রায় সকলেরই আছে । কিন্তু খাওয়ার পরপরই পানি পান করা উচিত নয় । একটি হজম প্রক্রিয়াকে  ব্যাহত  করে । বিশেষজ্ঞদের মতে আধাঘন্টা পর পানি পান করা প্রয়োজন । কিন্তু আপনি খুব বেশি পিপাসার্ত হলেই একটুখানি পান করতে 
 পারেন

৫.হস্তমৈথুন  

 এই একটি অভ্যাস আপনার সবকিছু ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট । এটা আপনাকে মানসিক এবং শারীরিক দুই ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে । পুরো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেবে । যৌন ক্ষমতা হ্রাস করে দেয় এর ফলে ভবিষ্যতে আপনার স্ত্রীকে যৌন তৃপ্তি  দিতে  পারবেন না । নপুংসক হওয়ার সম্ভাবনা আছে । মেয়েদের এই অভ্যাস থাকলে তারাও  বিভিন্ন সমস্যায় পড়বেন ।

এই অভ্যাস গুলো ত্যাগ করতে পারলে আমরা এমনিতেই অনেক রোগ থেকে বেঁচে থাকবে ।

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০

ঘুম নিয়ে কিছু কথা

 ঘুম মানুষের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।মানব দেহের ক্লান্তি দূর করার জন্য ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।ঘুম আমাদের ক্লান্তি দূর করে আবার নতুন করে কাজ করার স্পৃহা যোগায় ।তাই এই ঘুমের ক্ষেত্রেও আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন ।

১.রাতের বেলা তাড়াতাড়ি খেয়ে নিয়ে ১০টার আগেই ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে ।নিয়মিত ভাবে অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কেউ ভাবে আমি রাতে না ঘুমালেও দিনের ঘুম দিয়ে সেটা পূরণ করে নেই ।কিন্তু এটা একটা ভুল ধারণা। কারণ রাতের ঘুম আর দিনের ঘুম এক নয় । 

২.  রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে আবার সকালেও ওঠার অভ্যাস করতে হবে । সূর্যোদয়ের এক ঘণ্টা আগে  জেগে উঠুন । 

৩. ঘুমানোর সময় ডান কাত হয়ে  কেবলার দিকে মুখ করে ঘুমানোর চেষ্টা করুন । এটি সবচাইতে উত্তম পদ্ধতি । উপুড় হয়ে  কখনো ঘুমাবেন না ,এটা সবচাইতে খারাপ পদ্ধতি । 

৪. পুরোপুরি ভাবে অন্ধকার ঘরে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘরে কোন আলো বা আগুন জালানো থাকলে তা বন্ধ করুন।

৫. সূর্যোদয় , সূর্যাস্ত এবং সূর্য যখন ঠিক মাথার উপরে থাকে এই তিন সময়ে ঘুমাবেন না । 

৬. দুপুরের খাবারের পর হালকা একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন । এটি খুবই উপকারী।

খাওয়া-দাওয়ার নিয়ম জানুন

 জীবন বাঁচাতে গেলে খাদ্যের প্রয়োজন ।কিন্তু শুধু খেলেই হবে না । খাবার ব্যাপারে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে,এসব নিয়ম মেনে খেতে পারলে আমাদের উপকার হবে নয়ত অনিয়মের কারণে দেহে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে

১ . কতটুকু খাবেন

 ক্ষুদা লাগলে একবারে পেট ভরে খাবেন না। পেটকে তিন ভাগ করে এক ভাগ পানি, এক ভাগ খাবার এবং এক ভাগ খালি রাখুন । এটাই উত্তম পদ্ধতি । যদিও প্রথম প্রথম এটি করতে কষ্ট হতে পারে কিন্তু আস্তে আস্তে এই অভ্যাস তৈরি করতে হবে তাহলে আমরা এমনিতেই অনেক অসুখ বিসুখ থেকে বেঁচে যাব ।

২. সকালের খাবার

 সকাল আটটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে সকালের খাবার খেয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। আগে খেলে আরো ভালো ।সকালবেলায় বেশি পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার খেতে হবে।

৩.   দুপুরের খাবার

অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে দুপুরের খাবার খাওয়ার আদর্শ সময় হলো ১২:৪৫ । তাই আপনাকেও চেষ্টা করতে হবে যেন এই  সময় থেকে খুব বেশি দেরি না হয় ।

৪.   রাতের খাবার

রাতের খাবার ও যত দ্রুত সম্ভব খেয়ে ফেলতে হবে। সন্ধ্যা হবার পরই আপনি খেয়ে নিতে পারলে ভালো ।  রাতে হালকা খাবার খেতে হবে  ।ঘুমানোর অন্তত দুই তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নেয়া উচিত।

৫. খাওয়ার সাথে সাথে পানি পান নয়

খাবার খাওয়ার পরপরই পানি খাওয়া উচিত নয় ।আবার খাবার খাওয়ার ঠিক আগে আগেও পানি খাওয়া উচিত নয় । বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন যে খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করা ভালো ।কিন্তু আপনি যদি খুব বেশি  পিপাসার্ত হন তাহলে একটু পানি খেয়ে নিতে পারেন ।

৬.অত্যধিক গরম ও অত্যধিক ঠান্ডা খাবার কে না বলুন 

কেউ কেউ আছে যারা অধিক গরম খাবার খেতে পছন্দ করেন ,আবার অন্যদিকে অধিক ঠান্ডা খাবার যেমন আইসক্রিম, কোমল পানীয় বা সফট ড্রিংকস ,ফ্রিজের পানি ইত্যাদি খেতে পছন্দ করেন । এই দুটি অভ্যাসই ত্যাগ করতে হবে।

৭.আহারের পর পর গোসল নয় 

খাওয়া দাওয়ার পর সাথে সাথে গোসল করতে যাবেন না।কারণ এতে আপনার হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে ।



রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর উপায়

 মানুষের জীবনে ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।  বৈজ্ঞানিক দের মতে  একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের ৬-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন । প্রতিদিন রাতে তা...